You are here
Home > জীবনযাপন > অসাধারণ কিছু শিক্ষণীয় গল্প যা বদলে দিতে পারে আপনার জীবন

অসাধারণ কিছু শিক্ষণীয় গল্প যা বদলে দিতে পারে আপনার জীবন

অসাধারণ কিছু শিক্ষণীয় গল্প যা বদলে দিতে পারে আপনার জীবন

The last lecture lessons in living বইটি একজন মানুষের যার ক্যানসার হয়েছিল এবং তার আয়ু ছিল মাত্র ২ মাস তখন সে ভাবল কিভাবে তার বাকি ২ মাস পূর্ণ উদ্যমে বাচতে পারেন। কিভাবে তার জীবনের গল্পগুলো তিনি মানুষকে জানিয়ে যতে পারেন। তার সন্তানদের তখনও বুঝার বয়স হয়নি। তিনি ভাবলেন তার এমন কিছু করে যেতে হবে যখন তিনি থাকবেন না তার কৃত কাজের জন্য তার সন্তানরা তাকে চিনতে পারবে। তাই তিনি তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনাবলীর লেকচার তৈরি করলেন এবং যেহেতু তিনি মারা যাবেন তাই লেকচারটার নাম দিইয়েছিলেন The last lecture।

ভুল কাজে সময় দিচ্ছেন না তো? আসুন একটু সময় নিয়ে The last lecture বইটি থেকে কিছু গল্প শুনি।

গল্প #১

একদিন তিনি একটি সুপারস্টোরে গিয়ে একটি বয়াম কিনেছিলেন এবং সুপারস্টোর থেকে বের হওয়ার সময় তার ছলের হাত থেকে বয়ামটি পরেগিয়ে ভেঙ্গে গিয়েছিল। তার এক আত্বিয় তাকে বলল যে এই ভাঙ্গা বয়ামটা নিয়ে যাও এরাতো অনেক ক্ষেত্রে এসবের রিপ্লেসমেন্ট দেয়। কিন্তু লেখক বললেন না এটাতো উচিৎ হবে না যেহেতু এটা আমাদের কারণেই ভেঙ্গেছে। পরে আত্বিয়ের পিড়াপিড়িতে গেলেন সুপারস্টোরে এবং গিয়ে বললেন আমাদের দোষেই বয়ামটা ভেঙ্গে গেছে কিছুকি করা যেতে পারে। সুপারস্টোরের লোক তাকে অবাক করে দিয়ে বললেন স্যার আসলে দোষ আমাদের কারণ আমরা জিনিষটা ভালভাবে পেকেজিং করিনি বলেই এটা আপনার বাচ্চার হাত থেকে পরে ভেঙ্গে গেছে। আমরা ঠিক ভাবে পেকেজিং করলে এটা ভাংত না। সুতরাং আমরা আপনাকে বয়ামটার রিপ্লেস দিব। এই ঘটনার পর লেখক এতটাই খুশি হয়েছিলেন যে তার পরিবারের সকলের নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিস ঐ সুপারস্টোর থেকেই নিতেন। একসময় তিনি হিসেব করে দেখলেন ঐ সুপারস্টোর থেকে সব মিলিয়ে প্রায় ১০০ হাজার ডলার এর পন্য কিনেছেন। এই গল্পটি লেখক একযায়গায় বলছিলেন যেখানে ছিল অনেক ব্যাবসায়ী। এ গল্পটা দিয়ে তিনি বুঝাতে চেয়েছেন, অনেক সময় দেখাযায় বিভিন্ন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে এই গল্পটার মত রিপ্লেসমেন্ট দেয়া হয়না বা কাস্টমারদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেয়া হয়না। কিন্তু যদি ব্যাবসায়ীরা তাদের কাস্টমারদের গল্পটির মত সার্ভিস দেন তাহলে তাদের ব্যাবসা অনেক গুন বেরে যাবে। দ্বিতীয় গল্পটি আপনাকে আরও বেশী অনুপ্রাণিত করবে।

গল্প #২

এই গল্পটা হচ্ছে খেলায় আম্পায়ার হওয়া নিয়ে। বাচ্চাদের খেলার সময় কেউ আম্পায়ার হতে চাইত না কারন যে আম্পায়ার হয় তাকে সবসময় গালী শুনতে হত। লেখকের বাবা একটা বেবস্থা করলেন- বাচ্চাদের মধ্যে একটা ছোট-বর ডিভিশন হয় যেমন-প্রথমে ছোট তার পর মাঝারি তারপর বরদের। ছোটদের যখন খেলা হয় তখন তার বড় মানে মাঝারি সাইজের একজন বাচ্চাকে বাছাই করা হত যে খুব ভাল খেলে তাকে আম্পায়ার বানানো হতো। এতে করে বাচ্চাদের মধ্যে যারা বড় বেচের ছিল তার মধ্যে যে সবথেকে ভাল খেলে এবং যার সম্মান বেশি তাকেই আম্পায়ার করা হত। ফলে বাচ্চারা ভাবল এই ভাইয়াটা অনেক রেস্পেক্টএবল, ভাল খেলোয়ার তাই তাকে সম্মান করত এবং বড় বাচ্চারাও সম্মান দিত কারণ সে ভাল খেলোয়ার ও সম্মানিত। তারপর আম্পায়ার হওয়াটা বেশ সম্মানের হয়ে গেল। তারপর থেকে সবাই আম্পায়ার হওয়ার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠল।
এটার দ্বারা আমরা বুঝলাম যখন কোন কাজ ছোট বা অসম্মানের মনে করে কেউ করতে চাইবে না তখন আপনি যদি কাজটা সম্মানযোগ্য করে উপস্থাপন করেন তাহলে মানুষ তা আনন্দ নিয়ে করবে।

গল্প #৩

এই গল্পটা হচ্ছে রাগবি খেলা নিয়ে। প্রথম দিন তারা প্রাকটিস করতে গিয়ে সবাই মাঠে দারালেন কিন্তু সবাই দারিয়ে দেখল যে বল নাই। তো কোচকে তারা বলল সবাই আসছি কিন্তু বলতো নাই আমরা প্রাকটিস করব কিভাবে। কোচ তখন বলল আচ্ছা যখন তোমরা খেলো বল কয়জনের কাছে থাকে, সবাই বলল একজনের হাতে কোচ বলল ও আচ্ছা তাহলে বাকি ২১ জন কি করে? তখন সবাই ভাবতে লাগল কি করে। কোচ বললেন বল একজনের কাছে থাকে ঠিক কিন্তু বাকি ২১ জন কে কোথায় থাকবে, কি করবে তা ঠিক করার উপর নির্ভর করে কোন টিম জিতবে। সুতরাং আজকে আমরা ১ জন না বাকি ২১ জনের প্লানিং করব যে কে কি করবে।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় আমরা স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটিতে রেজাল্ট ভাল করার জন্য শুধু পড়াশুনাই করি অন্য কিছুতে ধ্যান দেই না যেমন-লিডারশিপ, টিম বিল্ডিং, কমিউনিকেটিং স্কিল ইত্যাদি বিষয়ে কোন জ্ঞান অর্জন করি না।
এই গল্প থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে আমরা অনেক সময় বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছোট জায়গায় ফোকাস করি কিন্তু সেটার সহায়ক অন্য জায়গায় নজর দি না। তাই আমরা অনেক ক্ষেত্রে সফল হতে পারিনা। তাই আমাদে উচিৎ যে কোন কাজে পুরো বিষয়ের উপর ফোকাস করা যাতে আমরা সফল হতে পারি।

গল্প #৪

এই গল্পটিও আগের কোচেরই তা হল হেইট ফেইথ দেয়া। অনেক সময় দেখবেন কোন প্লেয়ারের ফেস একদিকে কিন্তু সে যাচ্ছে অন্য দিকে। হেইট ফেইথ এর কনসেপ্টটাই হচ্ছে এরকম আপনি মানুষকে এমন কিছু শিখাবেন যে তারা মনে করবে তারা আসলে শিখছে কিছু একটা কিন্তু আসলে তারা বড় কিছু শিখছে। যেমন – যেমন খেলা অনেকের মনে হতে পারে এ আর এমন কি একটা বল নিয়ে দৌরাদৌরি করা আসলে খেলার মাধ্যমে অনেক কিছু শিখা হয় যেমন – একসাথে খেলা, একসাথে একটা কমিউনিটির মধ্যে থাকা, হারলে কিভাবে নিতে হয়, জিতলে কিভাবে সেলিব্রট করতে হয়, আচার ব্যাবহার সহ আরো অনেক কিছু।
এই লেখক এটা শিখেছিলেন একটা ইনজিনিয়ারিং পোগ্রামে সেখানে বাচ্চারা বিভিন্ন গেম ডিজাইন করত কিন্তু তারা গেম ডিজাইন করতে করতে কোডিং শিখে যেত, মনে হবে আমি শিখছি কিছু একটা কিন্তু শিখে ফেলছি অনেক বর বড় কিছু এটাই হচ্ছে হেইট ফেইথ।

গল্প #৫

এই গল্পটা হচ্ছে পজেটিভ লংগুয়েজ ব্যাবহার করা। লেখক একটা পার্ক এ গিয়েছিলেন এবং পার্ক এর লোকদের জিজ্ঞেস করেছিলেন আপনাদের পার্ক বন্ধ হয় কখন তো সেই পার্ক এর লোকেরা উত্তর দিল আমাদের পার্ক ৮টা পর্যন্ত খোলা। এখানে অনেকেই বিশেষ কিছু পাচ্ছেন না নিশ্চই। দেখুন লেখক বলেছে পার্ক কয়টায় বন্ধ হয় এটা একটা নেগেটিভ প্রশ্ন পার্ক এর লোক উত্তর দিতে পারত যে ৮টায় বন্ধ হয় কিন্তু তারা পজেটিভ ভাবে উত্তর দিয়ছেন যে আমাদের পার্ক ৮টা পর্যন্ত খোলা। এ বিষয়ে লেখকের আর একটি গল্প হচ্ছে তার ক্যানসার ধরা পরার পর একদিন ডাক্তারের কাছে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে আমি কখন মরব সেখানে ডাক্তার উত্তর দিয়েছিলেন যে আপনার আরো ২ মাস বাকি আছে। তিনি যদি বলতেন আপনি ২ মাস পর মারা যাবেন তাহলে অবশ্যই লেখক মানসিক ভাবে আঘাত পেতেন। তাই নেগেটিভ কথাগুলো পজেটিভ ভাবে উপস্থাপন করার চেস্টা করুণ এটার অনেক সুফল আছে।

গল্প #৬

পরের গল্পটা হচ্ছে ডাচ আংকেল। এ গল্পটা হচ্ছে আমাদের যখন কোন বিষয়ে পরামর্শ প্রয়োজন হয় আমরা তখন তা ফেমেলি, আত্বিয়, বা বন্ধুদের কাছ থেকে নেই যারা আমাদের কে কথায় বা কাজে কষ্ট দিতে চায় না। তাই সমস্যা হচ্ছে আমরা যখন তাদের কাছে পরামর্শের জন্য যাই যেমন আমি খুব দ্রুত কথা বলি বা আমার কেরেকটারে কোন সমস্যা আছে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলা আমাদের কাছের মানুষজন সরাসরি বলতে চায় না যদি না আমরা কষ্ট পাই। কিন্তু আমাদের একজন ডাচ আংকেল দরকার, ডাচ আংকেল বলতে এমন একজনকে বুঝানো হচ্ছে যিনি একদম স্ট্রেটলি আমাদের বলবে যে আমাদের কোথায় কি সমস্যা আছে। অনেক সময় আমরা আমাদের কোথায় কি সমস্যা তা না জানার ফলে আমাদের সমস্যাগুলো রয়েই যায়। তাই আমাদের প্রত্যেকের এরকম একজন ডাচ আংকেল থাকা দরকার।

গল্প #৭

এটি একটি গাড়ির গল্প। একদিন লেখকের স্ত্রী বাইরে থেকে এসে গাড়ি পার্ক করার সময় ব্যাক গিয়ারে থাকা অবস্থায় হঠাৎ স্কেলেটারে চাপ লেগে গাড়ি গিয়ে ধাক্কা লাগল পিছনে থাকা তাদের অন্য একটি গাড়িতে। ফলে তাদের দুইটা গাড়ি ই ক্ষতিগ্রস্ত হল। লেখকের স্ত্রী তো খুবই ভয় আছেন কি না কি হয় তার স্বামী জানলে। তো লেখকের স্ত্রী সেদিন খুব ভাল ভাল রান্না করলেন, সুন্দর ড্রেস পরলেন সব মিলিয়ে তার স্বামিকে রোমান্টিক একটা ইভিনিং দিলেন। তারপর যখন দেখলেন তার স্বামী খুব শান্ত ও ভাল মুডে আছেন তখন বললেন আজকে ভুল করে আমাদের দুইটা গাড়ি নষ্ট হয়েগেছে। লেখক বললেন ঠিক আছে যাই দেখি। গিয়ে দেখলেন গাড়ি দুটির ই কিছু কিছু ক্ষতি হয়েছে। এবং বললেন সমস্যা নাই এ আর এমন কি, এটা ঠিক করে আনা যাবে। সেটা শুনে লেখকের স্ত্রীতো অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন কি ব্যাপার আমি দুটা গাড়িই নষ্ট করলাম তুমি কিছু বললে না যে। লেখক বললেন যে এগুলো কোন বিষয় না, এরকম হতেই পারে, গারিটাতো ঠিক করলেই ব্যবহার করা যাবে। এটা নিয়ে তোমার সাথে ঝগড়া করার কোন মানে হয় না।
এই গল্প থেকে দুইটা জিনিস শেখার আছে যে আমরা যখন কোন ভুল করে ফেলি তা আমাদের অভিভাবক বা উপরস্থ দের বলার জন্য একটা অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করে বলা উচিৎ। এবং এসব ছোট-খাট বিষয় নিয়ে খুব একটা রিয়েক্ট করা উচিৎ না। যার কারনে সম্পর্ক নষ্ট হয়।

গল্প #৮

এবারের গল্পটা হচ্ছে চাঁদে অবতরণ নিয়ে। লেখক এখানে বলেছেন তার সময় মানুষ চাঁদে অবতরণ করছিল। অনেকে তখন বলেছিল এত টাকা খরচ করে চাঁদে মানুষ পাঠানোর কি দরকার যেখানে মানুষ না খেয়ে থাকে টাকার অভাবে মানুষ এত কষ্ট করছে। লেখক এ বিষয়ে বলেছেন যে তখন তিনি ছোট ছিলেন যখন তিনি রকেট লেন্ডিংটা দেখলেন তিনি খুব ইন্সপায়ার্ড হয়েছিলেন এবং তার মত অনেকেই সেটা দেখে ইন্সপায়ার্ড হয়েছিলেন এবং তার এখন বেশির ভাগ ই অনেক বর বর সাইন্টিস্ট অনেক বড় বড় কাজ করছে। আমাদের অনেক সময় মনে হতে পারে এত এত টাকা খরচ করে এসব করে লাভ কি কিন্তু আসলে তার দ্বারা অনেক সুফল বয়ে আসে পরবর্তীতে।

গ্লপ #৯

এটা হচ্ছে কিশেছ মানে হচ্ছে অনেক প্রচলিত কথা যেমন নিজের চর্কায় তেল দাও, বর হতে হলে ছোট হতে হয় ইত্যাদি মানে উপদেশ মুলক কথা। এগুলো যদি বরদের কাছে বলা হয় খুব একটা গুরুত্ব পায় না-বলার দরকার বলছে এই টাইপ এর। কিন্তু ছোটদের যখন এধরনের কথা বলা হয় তখন তাদেরকে এগুলো গল্পের মত করে খুব সুন্দর করে বলা উচিৎ কেননা বাচ্চারা একথাগুলো প্রথম শুনছে তাদের কে যদি এটা সুন্দর করে বলা যায় তাহলে তারা সেটা সারা জীবন মনে রাখবে।

গল্প #১০

এই গল্পটি হচ্ছে পেঙ্গুইন এওয়ার্ড এটি হচ্ছে লেখকের আন্ডারে কয়েকটা টিম কাজ করত এবং টিমগুলোকে কিছু এওয়ার্ড দেয়া হত তার মধ্যে একটা এওয়ার্ড ছিল পেঙ্গুইন এওয়ার্ড সেটা দেয়া হত যারা ফেল করত কেননা তারা ভাল টিম না। তাদেরকে এই এওয়ার্ড দেয়ার কারণ হচ্ছে তারা কাজটি করার চেস্টা করেছে কিন্তু করতে গিয়ে পারেনাই। এটার কারণ হচ্ছে তাদেরকে ইন্সপায়ার করা যে তারা ভাল কিছু করতে চেয়েছে এটার ফলে তারা সামনে আরো ভালো কিছু করতে পারবে। বেশিরভাগ সময় কেউ যখন কিছু একটা করতে গিয়ে পারেনা আমরা এটা সেটা বলে তাদেরকে ডিমোটিভেট করে ফেলি, ফলে তারা ভবিস্যতে আর ভাল কিছু করার সাহস পায়না। আমাদে উচিৎ তাদেরকে ইন্সপায়ার্ড করা। সেটা কথার মাধ্যমেও হতে পারে।

গল্প #১১

লেখক থিসিস পেপার লেখার সময় কলিগদের পেপার দিতে হত ১০০/২০০ পেজ এবং তাদেরকে সেগুলো রিভিউ করতে হত। আর এটাতে কিছু পাওয়া যেত না শুধু রিভিউ করে লিখতে হত। একাজটা অনেক বিরক্তিকর ছিল তাই কেউ করতে চাইত না তাই বার বার জিঙ্গেস করতে হত ভাই পেপারগুলা রিভিউ করছেন। তাই লেখক তার পেপারগুলো পাঠানোর সময় সাথে কিছু চকলেট পাঠাতেন। এবং বলতেন রিভিউ করার পর চকলেটগুলা খেয়ে নিয়েন। এবং পরে জিঙ্গেস করতেন যে ভাই পেপার চকলেটটা খাইছেন। তিনি জাস্ট ভিন্নভাবে রিভিউর কথা জিঙ্গেস করতে শুরু করলেন, মানে তিনি গিফট দিয়েছেন এবং গিফটের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছেন। যদি পেপার চকলেট টা তারা খেয়ে থাকে তার মানে তারা পেপার রিভিউ করেছেন। যদি খায়নি বলে তার মানে রিভিউ করে নি। এখন আর বলা লাগে না যে পেপার রিভিউ করেছেন কি না যার কারনে বেপারটা সুন্দর ভাবে বলা যায়।
ঠিক এইভাবে আমরাও এটা ট্রাই করতে পারি আমাদের জীবনে। এর ফলে বেপারগুলো সুন্দর হবে এবং কোন কাজ যদি কেউ করতে না চায় ও গিফটের প্রতি তার একটা সম্মানের কথা ভেবে কাজটা করবে।

গল্প #১২

এবারের গল্পটা এপোলজি নিয়ে। ক্ষমা চাওয়ার সময় তিনটা জিনিস থাকতে হয় ১। স্বিকার করা যে আমি এই জিনিসটা ভুল করেছি। ২। যে ভুল করেছি সেটার জন্য দঃক্ষিত হওয়া ৩। ইনশিউর করা যে ভুলটা ভবিস্যতে আর হবে না। লেখক বলেছেন আপোলজি না থাকার চেয়ে খারাপ এপোলজি অনেক খারাপ। মানে ভুল করে ক্ষমা না চাওয়ার চেয়ে যেন তেন ভাবে ক্ষমা চাওয়া খারাপ কারণ ওটার মধ্যে কোন অনুশুচনা থাকেনা। তাই ক্ষমা চাওয়ার মাঝে এই তিনটা জিনিস থাকা উচিৎ। নাহয় ঐ ধরনের ভুল বার বার হওয়া অস্বাভাবিক কিছু না।

গল্প #১৩

এই শেষ গল্পটা হচ্ছে ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে। ডাক্তার, লেখক এবং তার স্ত্রীও জানত যে ২ মাস পর লেখক মারা যাবেন কিন্তু তাকে ডাক্তারের সাথে একটা এপয়েন্টমেন্ট দেয়া হয়েছিল ৬মাস পর চেকআপের জন্য। যদিও ডাক্তার জানেন রোগী ১/২ মাসের মধ্যে মারা জাবেন তবুও তারা ৬ মাস পর একটা এপয়েন্টমেন্ট দেন অনেকে হয়তো মনে করেন যে হয়তো এটা টাকা খাওয়ার একটা ধান্দা কিন্তু বেপারটা আসলে এমন নয়। এর কারণ হচ্ছে সবাই হয়তো জানে যে রোগী হয়তো আর ১/২ মাসের মধ্যে মারা যাওয়ার সম্ভবনা বেশি কিন্তু আশা করা যায় যে আপনি আরো কিছুদিন বাচবেন। এটার কারণ হচ্ছে রোগীকে এটা বুঝতে না দেয়া যে সে এত দিনের মধ্যেই মারা যাবেন।

আশাকরি গল্পগুলো যদি আমরা আমাদের জীবনে প্রয়োগ করি আমাদের জীবনটা আরো অনেক সহজ ও সুন্দর হবে।

Spread the love
  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top
%d bloggers like this: