ডায়াবেটিস রোগীর যক্ষ্মা রোগ

যক্ষ্মা একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ এ জীবাণু দিয়ে হয়। সারা বিশ্বে মোট ডায়াবেটিস রোগীদের পেওতি ১০০ জনে ১০ জন যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়। অক্ষা রোগীর কফ, হাঁচি ও কশির মাধ্যমে এ জবানু ছড়ায়। এবং নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস আর মাধ্যমে সুস্থ বেক্তির ফুসফুসে ঢুকে রোগ তৈরি করে।যক্ষ্মা ব্যকটিরিয়া জনিত মারাত্মক সংক্রামক রোগ

আকনাগারে দুই থেকে তিন সপ্তাহের বেশী কাশি ফুসফুসের যক্ষ্মার প্রধান লক্ষন। কাশির সাথে সাধারণত যে লক্ষন গুলো থাকে তা হলঃ বিকেলের দিকে অল্প অল্প জ্বর, রাতে শরীর ঘেমে যাওয়া, খুদা মন্দা, ওজন হ্রাস, কফের সাথে রক্ত ইত্যাদি। ফুসফুস বহির্ভূত যক্ষ্মা লক্ষন নির্ভর করে আক্রান্ত অঙ্গ প্রতেঙ্গের উপর। এই লক্ষন দেখা দিলে দেরী না করে আপনার যক্ষ্মা আছে কিনা নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ মত নিয়মিত, পূর্ণমাত্রায় ও নিদ্রিস্ত সময়ব্যাপী যক্ষ্মার ঔষধ খেলে ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখলে যক্ষ্মা সম্পূর্ণ ভালো হয়। ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ খুবই জরুরি। কারণ রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি হলে যক্ষ্মা বিভিন্ন অঙ্গে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং যক্ষ্মা রোগের ওষুধ সঠিকভাবে কাজ নাও করতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে যক্ষ্মা রোগীকে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য ইনসুলিন দেওয়ার প্রয়োজন হয়।যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ

যেহেতু যক্ষ্মা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ায় তাই যক্ষ্মা হলে হাঁচি-কাশির সময় নাক-মুখে অবশ্যই মাস্ক, রুমাল বা কাপড় ব্যাবহার করুন। যেখানে সেখানে থুথু বা কফ ফেলা থেকে বিরত থাকুন। চিকিৎসা চলাআ কালিন সময় প্রথম দুই মাস মাস্ক ব্যাবহার করুন। আতে আপনার পরিবারের সদস্যগণ যক্ষ্মার সংক্রামণ থেকে রক্ষা পাবে।

বিঃদ্রঃ তিন সপ্তাহ বা তার অধিক সময় ব্যাপী কাশি হলে, পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়া একান্ত জরুরী। সাথে ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর পরামর্শও নিতে হবে।

ডায়াবেটিস সম্পর্কিত আর কিছু তথ্য – অবশ্যই পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.